আঠারতেই স্টাডিনেট’র ব্রান্ড আম্বাসেডর নানজীবা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মাত্র আঠারর গণ্ডিতে পৌঁছালো বয়স। এই সময়েই ব্যাপক আলোচনায় এসেছে মেয়েটি। আকাধারে একাধারে ট্রেইনি পাইলট, সাংবাদিক, নির্মাতা, উপস্থাপিকা, লেখক, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর, বিএনসিসি ক্যাডেট অ্যাম্বাসেডর, ইউনিসেফ বাংলাদেশের তরুণ প্রতিনিধি এবং বিতার্কিক। সে বহুমুখী প্রতিভার নানজীবা খান। নানজীবা যেতে চায় তার সমুদ্রসমান স্বপ্নের কাছে। জাতীয় কবির মতোই তারও স্বপ্ন ‌‌‌বিশ্বটাকে অাপন হাতের মুঠোয় পুরে দেখার।

সম্প্রতি সে আস্ট্রেলিয়ান শিক্ষা বিষয়ক সংস্থা ‘স্টাডিনেট’ এর বাংলাদেশ শাখার ব্রান্ড আম্বাসেডর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। এ সংস্থাটি অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা দিয়ে থাকে।

নানজীবা “অ্যারিরাং ফ্লাইং স্কুল” এ “ট্রেইনি পাইলট” হিসেবে অধ্যয়ন করছে। তার স্বপ্ন আকাশ ছোঁয়ার। সম্প্রতি সে ৬ ঘন্টা ১৫ মিনিট নিজে সেসনা-১৫২ এয়ারক্রাফট দিয়ে আকাশে উড়েছেন।

এ বিষয়ে নানজীবা খান পরিচয়কে বলেন-‌ স্টাডিনেট’ মূলত অস্ট্রেলিয়ান এডুকেশন কনসাল্টেসি বিষয়ক সংস্থা। এটি শুধুমাত্র অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা দিয়ে থাকে। যেহেতু নিজেও এখনও শিক্ষার্থী তাই শিক্ষা নিয়ে কাজ করতে পেরে ভালো লাগছে। ৮ ফেব্রুয়ারি বনানীর লেকশর হোটেলে ‘অস্ট্রেলিয়ান এডুকেশন ইনফরমেশন ডে’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সেটির কাজ নিয়েই ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছি। আর ডকুফিল্ম ‘দি আনওয়ানটেড টুইন’ ও ফ্লাইং নিয়েই আছি।

শিশুকাল সৃজনশীল সব কাজে আগ্রহ নানজীবার। ছবি আঁকায় আন্তর্জাতিক পুরষ্কার অর্জনের মধ্য দিয়েই শুরু হয় তার জয়যাত্রা । প্রথম প্রামাণ্যচিত্র ‘সাদা কালো’ পরিচালনার জন্য নানজীবা পেয়েছে ‘ইউনিসেফের মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড। স্কুল ও কলেজ জীবনে বিতার্কিক হিসেবে অর্জন করেছেন বেশ কিছু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পুরস্কার। পেয়েছেন উপস্থিত ইংরেজি বক্তৃতায় বিএনসিসি ও ভারত্বেশ্বরী হোমসের প্রথম পুরস্কার।

আপনার মতামত দিন