আমরা সবার সুখে সুখি হওয়া ও দুঃখে দুখী হওয়া ভুলে যাচ্ছি

আপন অপু:
বতর্মানে খুবই সহজলভ্য হচ্ছে সোস্যাল মিডিয়া। সব বয়সীদের মাঝেই রয়েছে সোস্যাল মিডিয়ায় আসক্তি। তবে তরুণরা এতে একটু বেশিই আসক্ত। সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহার আমাদের মানসিকতার উপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। এ নিয়ে আমরা কথা বলেছি বেশ কয়েকজন তারকা ও তরুণদের সাথে। আমাদের প্রশ্ন ছিলো- ‘বর্তমানে সোস্যাল মিডিয়ায় দেখা যায় অধিকাংশ মানুষই খুবই সিরিয়াস বিষয় নিয়েও হাসি-ঠাট্টায় মেতে ওঠে। এদের একটা বড় অংশ তরুণরা। কিন্তু কেন এমন হচ্ছে?’ এই নিয়ে ‍আমাদের ধারাবাহিক আয়োজনের তৃতীয় পর্ব আজ । এ পর্বে প্রকাশ করছি এ বিষয়ে তিনজনের বক্তব্য।

আমরা সবার সুখে সুখি হওয়া ও সবার দুঃখে দুখী হওয়া ভুলে যাচ্ছি
মাসুম অাওয়াল – লেখক ও সাংবাদিক
”সিরিয়াস বিষয়টা আপেক্ষিক, আমি যে বিষয়টাকে খুব সিরিয়াস ভাবছি, অন্য আরেকজন মানুষের কাছে সেটা হয় তো কোনো সিরিয়াস কিছুই না। আসলে আমরা সবার সুখে সুখি হওয়া ও সবার দুঃখে দুখী হওয়া ভুলে যাচ্ছি। আর সোস্যাল মিডিয়ার সঠিক ব্যবহার কম হচ্ছে আমাদের দেশে। হঠাৎ আলাদিনের প্রদীপের মতো ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব আমাদের হাতে ধরা দিয়েছে। এগুলার সঠিক ব্যাবহার শিখতে হবে। হাসি তামাশা এগুলা ড্রইং রুমের বিষয়।”

‌‌‌‌‌দায়িত্ব-জ্ঞানহীনতার অভাব
রাফি শাহরিয়ার – একাদশ শ্রেণি, ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি এন্ড কলেজ
”দায়িত্ব-জ্ঞানহীনতার অভাব এর কারণে সিরিয়াসনেসটা কমে গেছে। আর সমাজ ব্যবস্থারও সমস্যা আছে। অনেক সিরিয়াস বিষয়কেও স্বাভাবিক বিষয় হিসাবে ধরে, যেটা পরে বিষফোঁড়ার মত হয়ে যায়। আমাদের সকলেরই উচিত যেকোন কিছু করার আগে একটু ভেবে নেওয়া।”

তারা বিষয়টা হয়তো বুঝে না, বা চেষ্টা করে না বুঝতে
আফিফা শহীদ মাম – একাদশ শ্রেণি, আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ
”ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ বিষয়েও হাসি-ঠাট্ট‍া করা হয় এর কারণ হতে পারে, তারা বিষয়টা হয়তো বুঝে না, বা চেষ্টা করে না বুঝতে। এদের দৃষ্টিভঙ্গি যেমন, তেমন করেই এরা সব বিষয় দেখে। কিন্তু এরা যে বিষয়টা দেখতেছে সেখানে নিজেকে রেখে এরা ভাবে না। আর ভাবনা শক্তির বিকলতার জন্য এরা ভাবে না। আর চায়ও না ভাবতে।”

আপনার মতামত দিন