কবিতা : প্রিয় বিদ্যালয়

নুরুল কবির:

অাজও ঠিক অাছে প্রিয় প্রাঙ্গন
শুধু ঠিক নাই অামাদের স্কুল জীবন

যে প্রাঙ্গনে থাকতাম সারাদিন
হাসি খুশি অাড্ডাবাজরা মিলে,
কত দুষ্টামি অার গানে
কেটে যেত সময় ফাঁকিবাজির মাঝে।।

ক্লাসে স্যারদের কাছে শুনেছি
কতনা স্বপ্নের গল্প,
তখন বুঝতাম না জীবন মানে কী?
সেই সব কি অার ভাল লাগতো?
মিস করি সেই সেই স্বপ্ন দ্রষ্ঠাদের
যারা স্বপ্ন দেখাতেন অামাদের প্রতিষ্ঠিত হবার।

ছিলাম স্যারদের কড়া নজরে
শুনতাম কিছু উপকারী কথা,
করিতেন ভালবেসে পাঠদান
পড়া অাদায়ের হরেক পদ্ধতি থাকত গাঁথা।

অাশরাফ অালী স্যারের সেই চাই লেখ থেকে
বানিয়েছিলাম চাই চাই লেখ,
পড়া লিখিতাম দেখে
পরে ঠিকই মুখস্ত দিতে হত।।
ফরিদ স্যার, রুজিনা মেম, বিজয় স্যারের শাসন
জ্যামিতিক ব্যাখ্যা দাতা শশংঙ্ক স্যারের কথন,
হুমায়ুন স্যারের হাসির ছলে পড়া শিখানোর কৌশল,
অার ছিল ইসহাক স্যার অার হক স্যারের
টেনস অার কারক শিখানোর ভিশন।
বাবুল স্যারের গনিত ক্লাসে থাকত হিসাব বিজ্ঞান পড়ানোর গল্প,
প্রিয়তোশ স্যারের কৃষি ক্লাস থেকে কৃষকের প্রতি ভালবাসা জন্ম।
পকিস্থানের ক্রিকেট সাপোর্টার একমাত্র শহীদুল্লাহ স্যার
পাকিস্তানের খেলার পরদিন ক্লাসে থাকত এই নিয়ে সারমর্ম।
প্রভাকর স্যারের হিসাববিজ্ঞান পড়া
খালেদ স্যারের পাওয়া পড়ার মাঝে ভালোবাসা।
ব্যবসা উদ্দ্যোগ বিশ্লেষক স্বপন স্যারের খান্ড।
মিস করছি সেই স্যারদের কড়া শাসন
সাথে লুকিয়ে থাকা মিষ্টি অাদর।

ক্লাস শেষে স্যার চলে গেলে
টেবিলে ঢোল বানিয়ে হত কিছু গান,
বন্ধুদের মাঝে ঝগড়া বাধিয়ে
হত কত না অভিমান।।

অাজো মিশে অাছে স্কুলের সেই ধুলাবালি
যেখানে কেটে যেত বিদ্যালয়ের অবসর সময়গুলি,
সেই প্রিয় স্কুলের ছুটির শেষে
বাড়িতে ফিরতাম বিজ্ঞান-মানবিকের সাথে ব্যবসায় শাখার ম্যাচ খেলে।
মিস করছি সেই দিনগুলোকে।।

হে প্রিয় শিক্ষাঙ্গন তোমারই কাছে ছিলাম
৫টি বছর ভালোবাসার বন্ধনে,
অাবার অাসিতেছি ১টি দিনের জন্যে
প্রত্যাশা রেখে হারানো স্মৃতির খোঁজে।।

দূরে কোথাও যখন স্কুলের ছুটির ঘন্টা পড়ে
স্কুল জীবনের সেই স্কুলটির কথা খুব মনে পড়ে।

আপনার মতামত দিন