জুনে ১০১ শিশু ধর্ষণের শিকার, গণধর্ষণের শিকার ২৫!

পরিচয় ডেস্ক:
করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যেই গেল জুন মাসে দেশে ৩০৮ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ জানিয়েছে। তাদের ভাষ্য মতে, এসব নারী ও কন্যা শিশুদের মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১০১ জন, যাদের মধ্যে দলবেঁধে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ২৫ জন এবং ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে সাতজনকে। ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে ১৫ জনকে। এছাড়া বিভিন্ন কারণে ৬২ জন নারী ও কন্যা শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে পাঁচজনকে। গৃহপরিচারিকা হত্যা করা হয়েছে দুইজনকে এবং একজন গৃহপরিচারিকা আত্মহত্যা করেছেন। বিভিন্ন নির্যাতনের কারণে ১৭ জন আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন। ৩৪ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন তিনজন, যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ছয়জন। এসিডদগ্ধ হয়েছেন একজন। অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন চারজন, এর মধ্যে অগ্নিদগ্ধের কারণে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। ১৪টি জাতীয় দৈনিকের সংবাদ পর্যালোচনা করে এই পরিসংখ্যান দেওয়ার কথা জানিয়েছে মহিলা পরিষদ। গণমাধ্যমে পাঠানো তাদের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত এক মাসে ১৪ জন অপহৃত হয়েছেন। পতিতালয়ে বিক্রি করা হয়েছে একজনকে। এছাড়া যৌতুকের কারণে নির্যাতন করা হয়েছে সাতজনকে। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১৯ জন। নানাভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন আরও দুইজন নারী ও শিশু। ফতোয়ার শিকার হয়েছেন একজন, বাল্যবিয়ে হয়েছে একজনের। এর আগে মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসের সংবাদ পর্যালোচনা করে মহিলা পরিষদ জানিয়েছিল, করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রথম তিন মাসে দেশে ৪৮০ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

আপনার মতামত দিন