কবিতা: পশু পর্ব

পশু পর্ব

ফাহিম ফিরোজ

 

তোমাদের পুকুরগুলো পর্দাবাদী। বাইরে থেকে কিছুই বুঝা যায় না। ভেতরে কয়টি গোলাপ জলে চকচক। শুকিয়ে গেলে আকাশের দিকে চেয়ে থাকো! যদি বৃষ্টি ভরিয়ে দেয়! আহম্মকের দল, পরঘরে ক’টা ঠেলে দিলেই হয়! বিয়াই, নিয়ম এটাই; পাট জাক হয়ে মরবে সবাই। তবু ইচ্ছে করে পাপ পোষে। এ দিকে, পাকা আম ছোঁয়ার তৃষ্ণা ধার করে দূরে ছটফট রংপুর মাইটাল, চার দোকানে একেকজন হয়ে আছে রোগে ধরা মুরগী সবাই।
কোনো কাম নাই— কোদাল ঘুমায়। বাড়ি থেকে কলিজায় শুধু খামচি আহে— মোবাইল কাঁপে, রাগে, রক্ত ঝরে।

তোমরা— কারো সাথে মেশোনা।সদর নয় বাই রোডে চলাচল।মিয়াসাব,স্বয়ং বান্দরও খোঁজ পায়না লুকানো গুপ্ত ধন!
তোমারা কারো দাওয়াতও দাওনা মানিব্যাগ চৈত্র হবে বলে। কৌশলে তাদেরটা খেয়ে আসো শুধু ‘বই’ গুঁজে। কেমন শরম!দাদা ভাই, দুলাভাই, এদের মরণ কেউ দেখেনা। চুপচাপ সব সারে। কাছেই মার্কেট— সে জানে সবার পর!

কেনা চেনে তোমাদের? আমাদের ল্যাংড়ি রোকেয়া বুড়ি, গুড় বেচা রমজান— লোকালের সবচেয়ে বড় টুপি! সবার হোগায় দিছো আংগুল। বৌদি, কয়ে দিয়েন আপনি— ওদের ছোটটার লগে একবার, হইছিলাম কিন্তু খোদক চরিত! আমাকেই নিয়ে গেছিলো ছলান্তর,কলান্তর…! নিজেদের ভাবে বট— বট ভাবে, রাস্তার ধারে পড়ে থাকা, এক সাথে ওরা গুটিকয়েক শামুক!

১৩ মে ২০২০

আপনার মতামত দিন