ফোন দিলেই বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যায় শিশুখাদ্য

তাসনীমুল হাসান মুবিন, কো-অর্ডিনেটর, ময়মনসিংহ

করোনা ভাইরাস বর্তমান বিশ্বের একটি আতংকের নাম। বাংলাদেশও এর ব্যাতিক্রম নয়। সারা বিশ্বের মতো করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দেশে অলিখিত লকডাউন জারি করা হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার লক্ষে ঘরের বাইরে বের হওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।এতে খেটে খাওয়া মানুষ নানা ধরনের সমস্যায় পড়ছে। উপার্জন না থাকায় পেটার জ্বালা মেটাতে ঘরের বাইরে বের হয়ে পড়ছে নানা কাজের জন্য। এতে ভাইরাস ছড়ানোর আশংকা বাড়ছে। অসহায় হতদরিদ্র পরিবারগুলো ক্ষুধার যন্ত্রণা নিয়ে রাতের পর রাত অতিবাহিত করছে।

তখনি সেচ্ছাসেবী ও বিতার্কিক নাহিদ মন্ডল সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলও। নাহিদ মন্ডলের কাছে ফোন আসলেই শিশুদের জন্য শিশুখাদ্য নিয়ে ছুটছেন শিশুদের বাড়ি বাড়ি।

করোনা দুর্যোগে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় পিতা-মাতার অভাবি সংসার থেকে শিশু খাদ্যের জন্য ফোন আসলেই ময়মনসিংহের বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সেচ্ছাসেবীরা গ্রুপে গ্রুপে ভাগ হয়ে একেক গ্রুপে ছুটে যায় একেক গ্রুপ।

একদিকে ছুটে এপেক্স ক্লাব অব ব্রহ্মপুত্রের সেচ্ছাসেবী টিম। আরেকদিকে ছুটে বিডিক্লিন ময়মনসিংহ, অন্যদিকে যায় প্রথম আলো বন্ধুসভা আরেক দলে থাকে রক্তদানে আমরা ময়ময়সিংহের রক্তযোদ্ধারা। এছাড়াও ব্যাক্তিগত ভাবেও অনেকে পৌঁছে দিচ্ছে শিশুখাদ্য।

গত এক সপ্তাহে ২৯০টি পরিবারে ২৯২ জন শিশুর হাতে পৌঁছে দেয়া হয়েছে ফেইজবুকের মাধ্যমে মানবিক মানুষদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা এসব শিশুখাদ্য।
শিশুর বয়স অনুযায়ী ৬ মাস থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুদের দেয়া হচ্ছে দুধ, চিনি,সুজি।
একেকটি শিশুর জন্য গড়ে ৩০০/- টাকার শিশু খাদ্য পাঠানো হয়।