বুদ্ধিদীপ্ত পরিবেশ

  • জান্নাতুল ফেরদৌস ইতি

শিশুদের পূর্ণ রূপ আবিষ্কৃত হয় পরিবার নিখুঁত স্হানীয় উপস্থিতির মাধ্যমে। শিশুরা পবিত্র ভাগ্য নিয়ে উপস্থিত হয় পৃথিবীর কভার রাজ্যে- বিশ্বাস শ্রেষ্ঠতর হয়ে আঁকড়ে থাকে নাম প্রমাণে;

শিশুদের পরিপাটি মত থাকে মাথার চিন্তা মুকুট। ওরা ওদের নিজস্বতার মাপকাঠিতে প্রচুর পরিমাণের বুদ্ধি পাতা লুকিয়ে রাখে- ওরা পবিত্র বুদ্ধিতে মোড়ে থাকে-

কারুকার্য কম্বলে;
পৃথিবীতে চিন্তা করলে একটা জিনিস দেখা যাবে- প্রত্যেকটা মানুষ প্রচন্ড বুদ্ধি চিন্তা নিয়ে উদ্দেশ্য রওনা হয়।
ওরা কখনো ক্লান্তি বোধ করেনা। যদি ভোর দেখিয়ে দেওয়ার মত আচ্ছন্ন সজীবতা থাকে-; শিশুরা মুক্ত প্রবীণ সঞ্চয় খুঁজে। আমরা নিশ্চিত সূক্ষ্ম বানান ও তুলে ধরতে পারি। শিশুদের পূর্ণ প্রাণ সঞ্চয়ে পৃথিবীতে হাত বাঁড়ালেই দেখা যাবে- শিশুরা সংকোচ বোধ করে নীল আকাশের উপরের অজানা বিপদে- পৃথিবীতে আমরা আমাদের বাঁধন ছিঁড়তে চাইনা।

শিশুরা মুহূর্তে আকাশ প্যাটার্ন কল্পনা করতে পারে। সেই বিল্ডিং বা পাউন্ডেশান পরিবারের মাধ্যমে বিকশিত হয়-।

শিশুর পরিবেশ বা চিন্তার ধারা ঝিলমিলিয়ে উঠে- অনুসরণ করতে পারে অপেক্ষায় মুহূর্তকেও। শিশুরা ঝোপঝাড় থেকেও শিক্ষা গ্রহন করতে পারে যদি থাকে অনুসরণের প্রশ্ন সৃজনশীলতা হয়। শিশুরা তাদের পরবর্তী বাজিমাত দিতে পারে-

শিশুরা লাজুক হয় উপস্থিতির লুকানো ঘরে। আমরা আমাদের শিশুদের কে কোটি কোটি স্বপ্ন তুলে দিতে পারি।
হাজার হাজার মানুষ পৃথিবীতে জন্ম গ্রহন করে প্রচলিত বিশ্বাসে, রূপকথা, কল্পনা, ধারণা, চিন্তা, মূল্যেবোধ ও আদর্শ নিয়ে- তাদের শক্তিশালী পয়েন্ট দিলে শিল্প বাস্তবতা ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এক গুচ্ছ চিন্তাভাবনা ও অনুসরণ করতে পারে। শিশুদের বাস্তবতার সভ্যতার দ্বিতীয় টেউয়ের মত চিন্তাভাবনা ও যুক্তির প্যাকেজ তৈরি করে দেওয়া উচিত।” শিশুদের অবশ্যই শিল্প বাস্তবতার চ্যালেঞ্জের মতো বিপরীত ভাবনাও বিরাজমান।

আমরা যেদিকেই যাব না কেনো-
দেখতে পাবো মূল চিন্তাধারা অভাব – আদর্শ শক্তিশালীর অভাব; প্রত্যেকটা জিনিস শিল্পায়িত মুক্ত আকারে সংজ্ঞায়িত করা দরকার।

আপনার মতামত দিন