সত্যজিৎ বিশ্বাসের জোকস সমগ্র

জোকস সমগ্র
সত্যজিৎ বিশ্বাস

অতিথি কাকে বলে?

ছোট বাচ্চাঃ বাবা অতিথি কাকে বলে?
বাবাঃ অ তিথিতে যারা হুট করে চলে আসে, তাদেরকে অতিথি বলে।

ধার দেয়?

দীপঃ দোস্ত তুই না আমার জানে-জিগার খাঁটি বন্ধু, কিছু টাকা ধার দে না।
শান্তঃ তুইই বল, টাকা ধার দিয়ে আমাদের সম্পর্কের খাটিত্ব নষ্ট করবো?
দীপঃ ছিঃ সামান্য কটা টাকার জন্য আমাকে এভাবে বলতে পারলি? ঐ যে পথের ধারের মুরগীটা দেখছিস, সেটাও তোর চেয়ে খাঁটি। খাঁটি আন্ডা দেয়।
শান্তঃ তা ঠিক, খাঁটি আন্ডা দেয়। তা মুরগীটাকে জিজ্ঞাসা করে আয় তো, সেই আন্ডা ধার দেয় কিনা?

বেকার সমস্যার সমাধানঃ

১ম ভিক্ষুকঃ দেশে যে কি হইছে, দিনকে দিন বেকার সমস্যা বাইরাই যাইতাছে ।
২য় ভিক্ষুকঃ ঠিক কইছস। সব অলসের দল, আমাগো মতো খাইট্ট্যা খাইলেও তো পারে।


ম্যাজিশিয়ানের ম্যাজিকঃ

স্ত্রীঃ অফিস ছুটি হয়েছে পাঁচটায়, এতক্ষন কোথায় নেশা করে এলে শুনি?
স্বামীঃ আরে কি যে বলো না? আজ এক ম্যাজিশিয়ান এসেছিল অফিসে। সে শেখালো দেরী করে বাড়ি ফিরে রঙিন কাগজ বউয়ের হাতে তুলে দিলেই কি করে বউয়ের মুখে হাসি ফোটে?
স্ত্রীঃ রঙিন কাগজে হাসি ফোটে? মদ না গাঁজা টেনে এলে শুনি?
স্বামীঃ সেই কাগজটা যদি হয় টাকা?
স্ত্রী(মিষ্টি হেসে)ঃ ম্যাজিশিয়ানটা ভারী দুষ্টু তো।


ভূত কি?

ছোট মেয়েঃ বাবা “ভূত” কি?
বাবাঃ যার কথা ভাবলেই ভয়ে লোমকূপ দাঁড়িয়ে যায়, গা ছমছম করে, বুক ধুকপুক করে আর যদি তার সাথে দেখা হয় তাহলে তো কথাই নেই ভয়ে থরথর করে কাঁপতে কাঁপতে মুখ থেকে একটা শব্দ বের হয়না- এমন অবয়ব হলো ভূত।
ছোট মেয়েঃ যাও বাবা, কী যে বলো? মা কি ভূত?

ঈদ শপিং থেকে বাঁচার উপায়ঃ

অফিসের কর্মচারীঃ স্যার, ঈদ পর্যন্ত আমার অফিস টাইম ডাবল করে দেন।
বসঃ বলেন কি? সবাই তাড়াতাড়ি বাসায় ফেরার জন্য অনুরোধ করে আর আপনি উল্টোটা, ঘটনা কি?
অফিসের কর্মচারীঃ গিন্নীর শপিংয়ের হাত থেকে বাঁচার আর কোনো ভালো বুদ্ধি কি জানা আছে আপনার?

বিলটা বেঁচে যায় যেঃ

ছেলেটিঃ জানো, রোজা রেখেও তোমার সাথে ঘুরতে একটুও কষ্ট হয়না আমার।
মেয়েটিঃ তা হবে কেন? ফাস্ট ফুডের দোকানের বিলটা বেঁচে যায় যে।

আপনার মতামত দিন