সবার জন্য ভালোবাসা

সুমাইয়া আক্তার সুমু :

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে সবার মাঝে সচেনতা বাড়াতে ভালোবাসার শুভেচ্ছা জানিয়েছে এভারগ্রীন জুম বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন। এ উপলক্ষে সংগঠনটি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানবন্ধন করেন।
পরে প্রেসক্লাব থেকে শাহবাগ পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে লাল-গোলাপ বিতরণ করেন সংগঠনটির সদস্যরা। এই সংস্থার সদস্য তরুণ-তরুণীদের হাতে ছিল বিতরণের জন্য লাল গোলাপ ও লাভ ক্যান্ডি। গায়ে ছিল ভালোবাসার চিহ্ন অঙ্কিত টি-শার্ট। ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে ব্যতিক্রমী এই কর্মসূচি পালন করে সংস্থাটি।

এভারগ্রীন জুম বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এস টি শাহীন বলেন, জন্মের পর থেকেই মানুষ ভালোবাসাকে কেন্দ্র করে বেড়ে ওঠে। কিছু ভালোবাসা রক্তের সম্পকের, কিছু ভালোবাসার সৃষ্টি প্রাত্যহিক জীবনে চলতে গিয়ে তেমনি ভাবে কিছু ভালোবাসা আন্তরিকতারও হয়। ভালোবাসা আমাদের সহজাত মানবিক প্রবৃদ্ধি। তাই আসুন এই ১৪ ফেব্রুয়ারি সবাই মিলে সৃষ্টি করি ভালোবাসা দিবসের নতুন সংজ্ঞা গতানুগতিক দৃষ্টিভঙ্গি দূর করে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করি।

ভালোবাসা দিবসটির উদ্দেশ্য সম্পর্কে সংগঠনটির প্রধান সমন্বয়ক মো. রাজিব সরকার বলেন, ভালোবাসা দিবস মানেই সবাই মনে করেন এই ভালোবাসা কেবল প্রেমিক- প্রেমিকার জন্যই। মানুষের এই গতানুগতিক ধারণাকে পাল্টে দিতেই আমাদের প্রয়াস। আমরা চাই সবাই সবাইকে ভালোবাসুক।
এভারগ্রীন জুম বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের সদস্য শাহাদত উল্লাহ বলেন, ভালোবাসা কোনও নির্দিষ্ট দিন বা ব্যক্তির জন্য নয়। সকলের জন্য। আমরা ভালোবাসা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিয়ায় আমাদের প্রয়াস।
“সবার জন্য ভালোবাসা” ইভেন্ট কো-অডিনেটর রিয়াদ আহমেদ শিবলু, সুমাইয়া আক্তার সুমু, জায়নাল আবেদীন মিন্টু, মোহাম্মদ আলী হুসাইন জানান “ভালোবাসা কখনো একক কেন্দ্রীক হতে পারে না। সবার ভালোবাসা সবার জন্য থাকতে হবে। বাবা, মা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন কেউ ভালোবাসার বাইরে নয়। মানুষ মানুষের জন্য। তাই সব মানুষের জন্যই ভালোবাসা। জনসাধারণের মধ্যে এ বার্তা ছড়িয়ে দিতেই মুলত আমাদের এ আয়োজন।

এভারগ্রীন জুম বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন মুলত ৩ বছরের বেশি সময় ধরে পথশিশুদের নিয়ে কাজ করছে। জুম বাংলাদেশ স্কুল নামে ৫টি পথশিশুদের স্কুল পরিচালনা করছেন তারা যেখানে প্রায় ৪৫০+ পথশিশু/সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের লেখাপড়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য সেবায় কাজ করে যাচ্ছে।
সংগঠনের পরোক্ষ এবং প্রত্যক্ষভাবে সর্বমোট এক হাজারেরও বেশী সদস্য রয়েছে। এরা সবাই বে-সরকারি ও সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজের শিক্ষার্থী।

আপনার মতামত দিন