হয়তো আমি মন্দ কৃষক, চাষ করিনা ভালো

মোহাম্মদ আলী

ক.অনাহারী ঈশ্বর

ঘুমন্ত নিরেটের বিকট চিৎকারে ভাংলো– ঘুম।
ঈশানী বিছাতুবক্ষের অলী নীল আলপনায় আঁকতে চেয়েছে সোডিয়াম বিশ্ব।

ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদা অনাহারী ঈশ্বরের তলপেটে ক্ষুধা তাড়া করেছে
তথাকথিতের গতরে গলন— ধরেছে
ত্রিভুজ ব্যাসার্ধের চর্বি।
মুক্তমনিয়ার শশীধূসর
নীল গিরিখাত সাদা পাউন্ডশিলিং পাউরুটি!
পেটের তাড়নায় সমুদ্ধতার ঘরে আটকা পরেছে বাইবেলের জলদস্যু।
চুরি বা চোর
ক্ষুধার তাড়নায় এক পেট ঈশ্বরের নাম।
বিপ্লবী চেহারায়
আবেগ কোষে কবিতা বানায়!
আবেগ কোষে আহারহীন হয়ে পরে ফুঁপিয়ে কাঁদে ঈশ্বর।

খ. প্রস্তাবনা

বেদুঈন এর বক্ষ ছিঁড়ে, জানালার ওপারে দীঘিনালার শ্মশানে পুড়িয়ে দে!
হৃদে আটকে থাকা শকুনে এসে দেখে যাক– আত্মঘাতীক মৃতসংগী।

রাইফেলের ডগায় মানবতা ঝুলিয়ে
সংগীত বলতে বলতে পতাকার মতো উঠিয়ে ধর।
রাস্কেলের আঙ্গুল বয়ে গড়িয়ে পরুক চক্ষুলজ্জা।
রাষ্ট্র তাকিয়ে থাকুক শ্মশানের দিকে।

মৃতশরীর আগুন খেয়ে ছায় হয়
কবরের চাপায় হাড়ভাঙ্গে।
শুভোধেরা সাধু হয়
জ্ঞানীরা পাগল হয়।

গ. সমাজ


আদি গোষ্ঠী অসুস্থ সমাজ গর্ভে ধারণ করেছে!
সমাজে লালিতপালিত হওয়া মানুষ গুলোও শারীরিক মানুষিক ভাবে অসুস্থ।
কামুকী প আঁটসাঁট ন’য়ের নগ্ন দেহ খোঁজে।


প কামুকী চোখ দ্বারা আঁটসাঁট ন’র শরীরে লেপ্টে থাকা অন্তর্বাস খুলে মুহূর্তেই ধর্ষণ করে।


প রাস্তাঘাটে হাঁটতেই চিত্তের সকেট সিস্টেম অন্ডকোষ অবিরাম শক্ত রাখে।
ন কে ধর্ষণ করার জন্য।


কিছু কিছু দেশে মানুষ আর কুকুরের কোন পার্থক্য খুঁজে পাওয়া যায়না।
ওদের নিউরনে কামুকী কর্মের সার্টিফিকেট মাননীয় অমুকের তমুকের কাছে পাওয়া।

ঘ. চাষি

তার হাতে প্রতীত জমি তুলেদিলে, ভালো ফসল ফলিয়েছিলো!
কৃষাণ ধান কেটেনিছে, পরে আছে ওনারা।
আমি তো নারা থেকেই চাষ করতে চেয়েছিলাম।
খুব যত্নে আইল কেটে, আমিও ফসল ফলাতে ছেয়েছিলাম।
মেরুদণ্ড ভাঙ্গা লোচন খানি, টেনে তুললেই
ভাবো! সবে ঘুম ভাঙ্গলো, এখন ভাত ঘুম।
চিত্ত ফেটে যৌবন যখন নেচে ওঠে
তখনি তোমার প্রতীত জমি চাষযোগ্য করার জন্য কৃষাণ অন্বেষণ কর।
একটু অভিমানেই ভালো চাষি খোঁজো।

হয়তো আমি মন্দ কৃষক, চাষ করিনা ভালো
তোমার যৌবনের ঝাঁঝালো খরখরে জমিখানি
আমার কলতনার এক বোতল জলে, জমি পারিনা ভিজাতে
এখানেই ব্যর্থ আমি, কেন কলতলার জল কম হল?
ভালো চাষ করার জন্য, ঈশ্বরের কাছে জল চাইবো?

ঙ. পার্থক্য

চতুর্দশীর জ্যোৎস্না চিকমিকে অন্তরালে স্থানান্তরিত হতে হতে আঁটসাঁট বক্ষবেদনা সয়ে নিতে হয় হাসিমুখে।
চাঁদকপালি পত্নীর উষ্ণস্নেহ হারহামেশাই বয়কট।
নিশিকাব্যে তাকে হারাম বলে ঘোষণা দিয়েছে রাষ্ট্র।
রাষ্ট্র পত্নীর সুলভদিক তালাশ করছে।

আকাশে নক্ষত্রের ডালায় নীলপদ্ম অশ্লীল নিরেট আলিঙ্গন করে নিদ্রায় মগ্ন।
এখানে রাষ্ট্র চোখে কালো গ্লাস পরে ঘুরছে।

পত্নী আর নীলপদ্মের মাঝে আকাশপাতাল পার্থক্য?
কিন্তু প্রতিটা পল্লিতে প্রিয়সীগনে নীলপদ্ম কে প্রেম বলে বুকে টেনে নেয় ।

আপনার মতামত দিন