২৬ মার্চ ২৬ হত-দরিদ্র পরিবারকে খাবার দিল ডোমারের সেচ্ছাসেবকরা

জুঁই রায়

আজ ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে নীলফামারী জেলা ডোমার উপজেলার ২৬ টি অসহায় দুস্থ গরীব পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে ডোমার উপজেলার সেচ্ছাসেবকগণ।

খাদ্য সামগ্রীতে ছিল চাল, ডাল, তেল ও আলু।
ডোমার উপজেলার সেচ্ছাসেবকগণ শুধু খাদ্য সামগ্রী নয়, তারা এখন পর্যন্ত ১০০ টি মাস্ক, ১০০ সাবান, ১৫ হাজার করোনা ভাইরাস সচেতনতার লিফলেট সহ পুরো ডোমার উপজেলায় দুটি ভ্যান মাইক সহ করোনা সচেতনতার প্রচার চালাচ্ছে সাত দিন ধরে।

সেচ্ছাসেবকরা জনসাধারনকে বারবার ভালোভাবে হাত পরিস্কার করে ধোওয়া, হাত ভালো ভাবে ধুয়ে মুখ, চোখ, কান ও নাকে হাত দেওয়া, খুবেই প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে না যাওয়া সহ অন্যান্য করোনা সচেতনতার কথা বলে যাচ্ছে।

‘আমরা করোনা সচেতনতার জন্য গ্রামে গিয়ে দেখি অনেকে জানেই না যে, করোনা ভাইরাস কি? এতে আক্রান্ত হলে কি হয়? তাই আমরা গ্রামে বেশি করে সচেতনতা প্রচারের কাজ চালাচ্ছি।’
মানুষকে সচেতনতার কাজে যাওয়ার পর এমন অবিজ্ঞতার কথা বলে সেচ্ছাসেবক রেজাউল ইসলাম, মোঃ হামিম, মতিউর, সিহাব, মোমিনুর, প্রিন্স, বিষ্ণু, দ্বিজেন্দ্রনাথ, জয়, সাজ্জাদ, নিশাত, মিম, রিপন, বিশ্বজিৎ ও দিপঙ্কর সহ অন্যান্য সেচ্ছাসেবকগণ।

সেচ্ছাসেবকদের ভিতর গোপাল রায় বলেন, ‘আমরা ডোমার উপজেলার সকল শুভাকাঙ্ক্ষী, অবিভাবক, শিক্ষার্থী সহ জনসাধারনকে অনুরোধ করেছি যে যা পারেন তাই দিয়ে আমাদের পাশে থাকবেন। অনেকেই আমাদের পাশে দাড়াচ্ছে। এ জন্য আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি তাদের কাছে। তাদের অনুপ্রেরনায় আমরা আমাদের কাজ দুর্বার গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। আশা করা যায় করোনার বিরুদ্ধে আমাদের বিজয় খুব শিঘ্রই হবে।

সেচ্ছাসেবকদের উপদেষ্টা প্রভাষক মোঃ সুলেমান আলী বলেন, ‘ডোমার উপজেলায় এখন পর্যন্ত কোনো করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির খোঁজ মিলেনি। আশা করা যায় সবার সচেতনতার ফলে করোনা আক্রান্ত শূণ্যই থাকবে। তার জন্য যথেস্ট প্রচেস্টায় সচেতনতার কাজ ও গরীবদ-দুস্থদের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করব আমরা। আসুন সবাই এ ভালো কাজে যুক্ত হয়ে করোনা মুক্ত হই।’

উপদেষ্টামন্ডলীর ভিতর তপু রায়, জামিনি কিশোর রায়, রবীন্দ্র রায়, সুলতানুল আরেফিন, কমল রায়, শৌভিক রায় শুভ, এমদাদুল হক রাজা ও রিপন রায় জয় সেচ্ছাসেবকদের কার্যক্রমে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং সেচ্ছাসেবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।